আমাদের দেশের শীর্ষ দর্শনীয় স্থান


অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের এই বাংলাদেশ ।আমাদের দেশে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে আজকে আমরা আলোচনা করব।বাংলাদেশের ১০টি শীর্ষে দর্শনীয় স্থান বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এই সৌন্দর্য দেখতে ছুটে আসেন।


বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ ছোট বড় অসংখ্য নদী এদেশে জালের মতো ছড়িয়ে আছে বাংলাদেশের একমাত্র বিশাল সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার বাংলাদেশে অবস্থিত ।এছাড়াও রয়েছে সেন্ট মার্টিন,সুন্দরবন, সাজেক্যালি,নিঝুম দ্বীপ,লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর রাজার বান্দরবান নীলগিরি মহাস্থানগড় জাফলংসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় ও মনোমুগ্ধকর জায়গা।

পেজ সূচিপত্র:আমাদের দেশের মনোমুগ্ধকর কিছু মনোমুগ্ধকর জায়গা


কক্সবাজার বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত

কক্সবাজার বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগে অবস্থিত। বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত এবং প্রধান পর্যটন কেন্দ্র।কক্সবাজার এখানকার জনপ্রিয় বন্দর এবং চমৎকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত যেখানে নদী পাহাড় ও সমুদ্রের অপূর্ব সৌন্দর্য লক্ষ্য করা যায় । কক্সবাজার চট্টগ্রাম জেলা অবস্থিত এটি একটি জেলা শহর মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মানুষকে মুগ্ধ করে বাহার ও সাগরের জন্য বিখ্যাত।

কক্সবাজারের রয়েছে সারিসারি ঝাউবন ও নরম বালির বিছানা ।কক্সবাজারে কোন তুলনা হয় না বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ কক্সবাজারের সৌন্দর্য দেখতে ছুটে আসেন ।বাংলাদেশের অনেক মানুষ একটু সময় পেলে কক্সবাজার থেকে বেরিয়ে আসেন কক্সবাজারের রয়েছে নীল জলরাশির গর্জন মহেশখালী সোনাদিয়া কুতুবদিয়া কক্সবাজার কে করেছে আরো আকর্ষণীয়।

সুগন্ধা, লাবনী,কলাতলী বিচ,ইনানি বিচ ,রামু বৌদ্ধবিহার,মহেশখালী এসব কক্সবাজার কে করেছে আরো আকর্ষণীয় এবং মনমুগ্ধকর। সাধারণত শীতকাল প্রধান মৌসুম হলেও বছরের যে কোন সময় এর অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় নিরাপত্তা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত সচেতন।এখানে ফাইভ স্টার থেকে শুরু করে সাশ্রয়ী হোটেল মোটেল রয়েছে।


ঢাকা বা বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে কক্সবাজার যাওয়ার জন্য বাস ট্রেন এবং বিমান রয়েছে।ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজারের বাস পাওয়া যায় যেমন শ্যামলী হানিফ ইউনিট এসি নন এসি বাস ছাড়ে ঢাকা থেকে সরাসরি ট্রেন কক্সবাজার এক্সপ্রেস বা পর্যটক এক্সপ্রেস যাতায়াত করেন যা যাতায়াতের অন্যতম সুবিধা জনক উপায় চট্টগ্রাম হয়ে ট্রেনে যাওয়া যায়। তবে সরাসরি ট্রেনে যাওয়া সবচেয়ে ভালো ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজারে বিমানে যাওয়া যায়।

সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত

সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ ।এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ সেন্ট মার্টিন এর সৌন্দর্য দেখতে ছুটে আসেন। এটি ১৭ বর্গ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটি একটি ক্ষুদ্রদীপ এবং কক্সবাজার থেকে ১২০ কিঃমিঃ দূরে অবস্থিত।এই সুন্দর দ্বীপে নীল জল কিয়া ও নারিকেল গাছ জন্মে। এটি প্রবাল বা কোরাল দিয়ে তৈরি দ্বীপ খানকার নারিকেল খুবই বিখ্যাত এবং অত্যন্ত সুস্বাদু।

সেন্ট মার্টিন কে নারিকেল জিনজিরা বলেও ডাকা হয় ।সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয় ।সেন্ট মার্টিন একটি অপূর্ব সৌন্দর্যের লীলাভূমি।সেন্টমার্টিন কক্সবাজারকে করেছে দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয়।২০২৪ সালের নিয়ম অনুযায়ী নভেম্বর-জানুয়াসেন্ট মার্টিনের স্বচ্ছ নীল পানি নারিকেল গাছ এবং অপূর্ব সূর্যাস্তের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র নভেম্বর থেকে মার্চ মাস ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত সময়

টেকনাফ থেকে জাহাজ বা স্পিডবোটে সেন্ট মার্টিন যাওয়া যায় সাধারণত নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত জাহাজ চলাচল করে এখানে বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছের স্বাদ উপভোগ করা যায়সমুদ্রের পরিবেশ রক্ষা করার জন্য সতর্ক থাকা প্রয়োজন ভ্রমণের পূর্বে ভ্রমণের বিধি-নিষেধ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ভ্রমণ করার পরিকল্পনা যদি আপনার থাকে তাহলে আগে থেকেই শিপের টিকেট বুকিং করা এবং হোটেল বুকিং করে নেওয়া ভালো

ভ্রমণের জন্য প্রথমে ঢাকা বা বাংলাদেশের যে কোন স্থান থেকে বাসে বা প্লেনে কক্সবাজার যেতে হবে সেখান থেকে নভেম্বর থেকে মার্চ মাসে জাহাজে করে সেন্ট মার্টিন যাওয়া যায় জাহাজে প্লাস অনুযায়ী যাওয়া আসা ৮৫০ থেকে ১৬০০ টাকা আনুমানিক ভাড়া অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্র সাথে রাখতে হবে জাহাজগুলো সাধারণত সকাল সাতটা থেকে নয়টার মধ্যে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে যায়সেন্ট মার্টিন এ প্লাস্টিক ব্যবহার নিষিদ্ধ তাই সাথে করে প্লাস্টিক নিয়ে যাওয়া যাবে না

সুন্দরবন প্রাকৃতিক বৈচিত্রের এক অপূর্ব লীলাভূমি

বাংলাদেশ ও ভারত এর অঞ্চল জুড়ে সুন্দরবন অবস্থিত।সুন্দরবন পদ্মা মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত সুন্দরবন রয়েছে বিশ্ব বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার সুন্দরবনের আয়তন ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার যার অধিকাংশ বর্গ (৬০১৭)কিলোমিটারবাংলাদেশে শীতকাল নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় সুন্দরবনে রয়েছে বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার এছাড়াও সুন্দরী গাছ ও বৈচিত্র্যময় বন্যপ্রাণীর জন্য এটি বিখ্যাত


সুন্দরবনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার এছাড়াও এখানে রয়েছে চিত্রা হরিণ কুমির ডলফিন ও সুন্দরী বৃক্ষ সুন্দরবনের নোনা পরিবেশ এবং শ্বাসমূল যুক্ত ম্যানগ্রোভ বন মানুষের হৃদয়কে আকৃষ্ট করে সুন্দরবন একটি জীববৈচিত্র্যপূর্ণ এলাকা সুন্দরবনের প্রায় ৩৫০ প্রজাতির উদ্ভিদ ২৭০ প্রজাতির পাখির 42 প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং ১২০ প্রজাতির মাছ রয়েছে সুন্দরবনের জল পথেই সুন্দরবনের প্রবেশের প্রধান মাধ্যম

এছাড়াও পর্যটনের জন্য লঞ্চ ও বোট ব্যবহার করা হয় সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষা করার জন্য বিভিন্ন সংস্থা টা কাজ করছে।এটি সাইক্লোন ঘূর্ণিঝড় সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উপকূলকে রক্ষা করেসুন্দরবনের জলপথই সুন্দরবনের প্রবেশের প্রধান মাধ্যম এছাড়াও পর্যটনের জন্য লঞ্চ ও ভোট ব্যবহার করা হয় সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে বাংলাদেশ পোস্টার নেতৃত্বে অপারেশন রিস্টার্টিং সুন্দরবন ও অপারেশন ম্যানগ্রোভ শীল পরিচালিত হচ্ছে যা জলদস্যু নিরসনে সহায়তা করে যার ফলে নিরাপত্তা আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে


ঢাকা থেকে সুন্দরবন যাওয়ার জন্য প্রধানত খুলনা বা মংলা যেতে হবে ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে সরাসরি খুলনা বা মংলা যাওয়া যায় এরপর মংলা থেকে লঞ্চ বা ট্রলারে বনের ভেতর প্রবেশ করা যায় নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত সময়সাধারণ প্যাকেজে জনপ্রতি ছয় থেকে আট হাজার টাকা এবং উন্নত জাহাজে য ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে


সাজেক ভ্যালির অপরূপ সৌন্দর্য মানুষকে মুগ্ধ করে




বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ সাজেক ভ্যালিতে ঘুরতে যায়।সাজেক ভ্যালির অপরূপ সৌন্দর্য মানুষকে মুগ্ধ করে সাজেক বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থল রাঙ্গামাটি জেলার সর্ব উত্তরে মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত দুটি পারা রয়েছে ১৮৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত রইল পাড়া ১৭২০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত আরংলাক পাড়া ১৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ।

এখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত ভালোভাবে পরিলক্ষিত হয় সাজেকের রইলই বাড়া থেকে ট্রেকিং করে কংগ্রেস পাহাড়ে যাওয়া যায় সাজেকের সর্বত্র জুড়ে রয়েছে মেঘ পাহাড় ও সবুজ এখানে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে উপজাতিদের উৎসব অনুষ্ঠিত হয় সাজেক ভ্যালিতে সংস্কৃতির নানা উপকরণ লক্ষ্য করা যায় যা বাঙালির ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে


ঢাকা বা বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে বাসে বা প্রাইভেট কারে খাগড়াছড়ি দেওয়া যায় সেখান থেকে চান্দের গাড়ি বা জিপ রিজার্ভ করে সাজেকে দেওয়া সবচেয়ে ভালো মাধ্যম খাগড়াছড়ি থেকে দিঘীনালা হয়ে সাজেকে পৌঁছাতে প্রায় তিন ঘন্টার মত সময় লাগে ঢাকা থেকে সরাসরি দীঘিনালা থেকে দ্বীপ পাওয়া যায় খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর থেকে চান্দের গাড়ি রিচার্জ করা সবচেয়ে ভালো ভাড়া ১০,৫০০ থেকে ১২,০০০ টাকার মধ্যে।

নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি দর্শনীয় স্থান


নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলা অবস্থিত প্রায় ১৬৩ কে বর্গ কিলোমিটার আয়তন জুড়ে এর অবস্থাননিঝুম দ্বীপে গেলে মনে হয় যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ সৌন্দর্যের মধ্যে হারিয়ে গিয়েছি এর প্রধান আকর্ষণ এখানে প্রায় ৫ হাজার মায়াবী হরিণ রয়েছে ২০০১ সালে এই দীপ্তিকে বাংলাদেশ সরকার জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে


২০১৩ সালে দীপ্তি জাহাজমারা ইউনিয়ন হতে পৃথক হয়ে স্বতন্ত্র ইউনিয়ন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে এই দ্বীপটির পূর্ব নাম ছিল চুয়াড় ওসমান বাউলার চর এ চড়ে প্রচুর ইছামাত পাওয়া যেত বলে একে ইছামতির চর হিসেবেও এটি পরিচিত ছিল এই দ্বীপটিতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বসবাস করে পর্যটকদের খাওয়া-দাওয়ার জন্য স্থানীয় হোটেলের ব্যবস্থা রয়েছে সুন্দরবনের পরে নিঝুমদ্বীপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে অনেকে দাবী করেন


নিঝুম দ্বীপে যাওয়ার জন্য প্রথমে ঢাকা থেকে বাসে চড়ে নোয়াখালীর সোনাপুরে যেতে হবে সোনারপুর থেকে সিএনজি বা মহেন্দ্রা নিয়েছেন চেয়ারম্যানঘাটে যেতে হবে তারপরে চেয়ারম্যান ঘাট থেকে স্পিডবোট বা ট্রলারে নদী পার হয়ে হাতিয়ার জাহাজমারা ও নলচিরা ঘাটে যাওয়ার পরে হাতিয়া থেকে আবার মোটরসাইকেলের ট্রলারে নিঝুম দ্বীপে দেওয়া যায় যারা লঞ্চে যেতে চান তারা ঢাকা সদরঘাট থেকে হাতিয়ার লঞ্চে উঠতে পারেন লঞ্চ থেকে নেমে হাতিয়ার ভিতরে যে যেকোন লোকাল পরিবহনে নিঝুম দ্বীপে যেতে পারবেন

বাংলাদেশের লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর


বাংলাদেশের ঢাকার অদূরে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত এটি গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী শিল্প সংস্কৃতির এক বিশাল সংগ্রহশালা শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৭৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন এখানে পোড়ামাটির ফলক নকশী কাঁথা জনজীবনে মৃত্যু ব্যবহার্য প্রাচীন নিদর্শন প্রদর্শিত হয় যা বাঙালির ঐতিহ্য বহন করে


বাংলার প্রাচীন ও মধ্যযুগের অনেক লোকশিল্পের নিদর্শন রয়েছে এখানে জাদুঘরের নিদর্শন গুলোর বেশিরভাগই অষ্টাদশ এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর এখানে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি দেখতে পাওয়া যায়জাদুঘর চত্বরে রয়েছে বিশাল লেক এবং মনোরম বাগান যেখানে দর্শনার্থীরা নৌকা ভ্রমণ ও পিকনিক করতে পারেন সব সাধারণত বুধবার ও বৃহস্পতিবার জাদুঘর বন্ধ থাকে

রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র মিঠা পানির জলা বন


রাতারগুল সোয়ান ফরেস্ট সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত এটি সিলেটের সুন্দরবন বা বাংলার আমাজন নামে পরিচিত এটি একটি অভয়ারণ্য ৫০৪ এখন সংরক্ষিত বনসসহ মোট ৩৩২৫ একরের বেশি জলাভূমি রয়েছে এটি মূলত জলের ওপর ভাসমান বয়ান বর্ষাকালে চার থেকে পাঁচ মাস পানির নিচে ডুবে থাকে জুলাই থেকে অক্টোবর মাস ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত সময় তবে পানি কমে গেলে নতুন সাহায্য ধারণ করে এবং অতিথি পাখির লক্ষ্য করা যায়

বনের মধ্য দিয়ে নৌকা লক্ষ্য করা যায় নৌকার ভরা যায় এবং ওয়াচ টাওয়ার থেকে পুরা বনের দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায় এবং নানা প্রজাতির পাখি লক্ষ্য করা যায় বর্ষাকালে জুলাই থেকে অক্টোবর নৌকায় পড়ে জলের বুকে দাঁড়িয়ে থেকে হিজল পরশ বনের সৌন্দর্য দেখাদেখার জন্য উপযুক্ত সময়স্থানীয় মাঝির কাছ থেকে ডিঙ্গি নৌকা নিয়ে বনের ভেতরে ঘুরে দেখা সবচেয়ে ভালো


রাতারগুলবনের ভিতর যেহেতু কোনো খাবার বা পানির দোকান নেই তাই সেখানে যাওয়ার সময় শুকনো খাবার বা পানি নিয়ে যেতে হবে যাওয়ার জন্য সিলেট শহরের আঙ্গুর খানা পয়েন্ট থেকে সিএনজি বা লেগুনা নিয়ে যাওয়া যায় আঙ্গুরখানা থেকে ছা রুটি কর হয়ে গোয়াইনঘাট ধরে খাসির ঘাট দেওয়া যায় সিএনজি বা লেগুনার প্রায় এক থেকে দেড় ঘন্টার মত সময় লাগে খাসির ঘাট থেকে ছোট নৌকায় করে বনের ভেতরে ঢুকতে হবে এটি একমাত্র উপায়

বান্দরবান বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র


বান্দরবন জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল বান্দরবানের অপরূপ সৌন্দর্য মানুষকে মুগ্ধ করেএখানে সবুজ পাহাড় গভীর উপত্যকা ও আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক ঝর্ণা লক্ষ্য করা যায় যা প্রকৃতির এক অপূর্ব সৌন্দর্য বহন করে


এই অঞ্চলটি সত্যি কারের স্বপ্নের মতো বান্দরবান জেলায় আকর্ষণীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে তাজিংডং যা সরকারিভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ কেউ ক্রাডং সরকারিভাবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ টাকা হাফং বেসরকারিভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এছাড়াও রয়েছে এছাড়াও এখানে রয়েছে চিম্বুকবাহার টমাটঙ্গী দেবতা খুন নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র নীলাচল ইত্যাদি

নীলগিরি বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র

নীলগিরি বাংলাদেশের অন্যতম উঁচু পাহাড় যা বাংলার দার্জিলিং নামে পরিচিত এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 2200 ফুট উঁচুতে অবস্থিত এটি মেঘের সৌন্দর্যের জন্য একটি বিখ্যাত স্থান এটি পাহাড়ের চূড়া থেকে মেঘ দেখার অপূর্ব সুযোগ এখানে রয়েছে যেখানে মনে হয় মেঘ আমার পায়ের নিচে ভেসে বেড়াচ্ছে নীলগিরিতে থাকার জন্য রিসোর্ট এর ব্যবস্থা রয়েছে যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত


দিগন্ত জোড়া সবুজ পাহাড় আর বিস্তীর্ণ পেনারোমা এর মাঝে যেন ভেসে বেড়াচ্ছে মেয়েদের দল স্বপ্নের মত এই দৃশ্য বাংলাদেশের নীলগিরি থেকে লক্ষ্য করা যায় সকালে একরকম তো সন্ধ্যায় তার অন্যরকম রূপ লক্ষ করা যায় এছাড়া এটির স্নো আদিবাসী তো একটি জনপদ তাই পাহাড়িদের জীবনযাপনের সংস্কৃতি সম্পর্কে ভালোভাবে জানা যায় নীলগির চূড়ায় দাঁড়িয়ে আকাশ পরিছন্ন থাকলে দূরে সাগর পর্যন্ত দেখা যায়

মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি


মহাস্থানগড় বগুড়া শহর থেকে প্রায় 13 কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত এটি পাশেই করতোয়া নদীর একটি শীরোকায় স্রোতধারা প্রবাহমান মহাস্থানগড় নগরী ইতিহাসে কোন প্রবন্ধ বা 15 নগর নামে পরিচিত ছিল বিভিন্ন আমলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র এখানে বহু দর্শনীয় স্থান রয়েছে সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত নানা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে

 মহাস্থানগড়ে রয়েছে একটি বিখ্যাত জাদুঘর এটি বগুড়া থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তরে এবং মহাস্থানগড় থেকে সামান্য উত্তরে গোবিন্দ ভিতর ঠিক বিপরীত পাশে অবস্থিত এই জাদুঘরটি ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রথমদিকে তিন একর জায়গার উপরে জাদুঘর মূল অংশটি থাকলেও বিভিন্ন সময়ে সম্প্রসারিত হয়ে বর্তমানে এর পরিধি প্রায় ১০ একরে দাঁড়িয়েছে

মহাস্থানগরে মৌর্য গুপ্ত পাল সেন ও অন্যান্য রাজবংশের হাজার বছরের পুরানো বিভিন্ন স্মৃতি চিহ্ন যেমন সোনা রুপা লোহা ব্রোঞ্জ কাশা সহ বিভিন্ন ধাতব পদার্থ পোড়ামাটি তৈরি মূর্তি বেলে পাথরের মূর্তি কালো পাথরের মূর্তি মাটি দিয়ে তৈরি খোদাই করা ইনিত্য প্রয়োজন ইট প্রয়োজনীয় তৈজসপত্র প্রাচীন অলংকার সহ ইত্যাদি সামগ্রী পাওয়া গেছে যা জাদুঘরে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে

ঢাকা থেকে গাবতলী বা মহাখালী থেকে বগুড়া আগামী বাসে যেমনটি ট্রাভেলস শ্যামলী এসার ইত্যাদি বাসে বগুড়া শহরের চারমাথা বাসস্ট্যান্ডে নামুন আপনি যদি বগুড়া যেতে চান তাহলে বগুড়া শহরের চারমাথা দত্তবাড়ি বা মাটি ঢালী থেকে বাস বা সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে সরাসরি মহাস্থানগড় বাসস্ট্যান্ডে যাওয়া যায় বাসে যেতে জনপ্রতি ভাড়া প্রায় ১৫ থেকে ২০ টাকা এবং সিএনজি রিজার্ভ ভাড়া আড়াইশো থেকে ৩০০ টাকার আশেপাশে হতে পারে

জাফলং এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য



জাফলং সিলেট শহর থেকে প্রায় ৬২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে উপজেলায় অবস্থিত। ভারতের মেঘালয় সীমান্ত গ্যাসে অবস্থিত। এটি পিয়ারী নদীর তীরে প্রাকৃতিক পাথর প্রাণীর নদী খাসিয়া পন্থী চা বাগান ও এবং পাহাড়ের অপরূপ সৌন্দর্যের জন্য। বর্ষাকালে জাফলং তার আসল সৌন্দর্য ফিরে পায় যখন মেঘালয়ের পাহাড় থেকে ঝরনার জল এবং স্বচ্ছ নীল পানি নেমে আসে।


জাফলং পিয়ান নদী থেকে লক্ষ লক্ষ পাথর আরোহন করা হয়। যা সারা দেশে নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয় ভারত সীমান্ত অবস্থিত ডাউকি ব্রিজ ঐতিহাসিক ঝুলন্ত সেতু জাফলং এ অবস্থিত। জাফলং এর আশেপাশের সবুজ চা বাগান রয়েছে। এখানে পাহাড়ি আদিবাসী খাসিয়া সম্প্রদায় লক্ষ্য করা যায় তাদের জীবনযাত্রা ও তাদের পানবাগান সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।

জাফলং যাওয়ার জন্য প্রথমে সিলেট শহরে যেতে হবে বাসে যাওয়ার জন্য ঢাকার গাবতলী মহাখালী ফকিরাপুল অথবা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের যেকোনো একটি টার্মিনাল থেকে বাসে করে সিলেটে যেতে পারবেন ৭০০ থেকে ১৫০০ টাকা পুরো যাত্রার সময় লাগবেপ্রার্থনা থেকে আট ঘন্টাসিলেট শহর থেকে করে জাফলং যাওয়া যায় জাফলং যেতে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘন্টার মত সময় লাগবে


এখানে নদী পারাপারের জন্য নৌকা ব্যবহার করা যায় আলোচনা সাপেক্ষে যার খরচ নির্ধারণ করতে পারবেনআপনি যদি দ্রুত পৌঁছাতে চান তাহলে আপনি বিমানে চড়ে যেতে পারেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এই যাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণী অনুযায়ী খরচ পড়বে প্রায় তিন হাজার থেকে ৩৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে মাত্র 30 থেকে 45 মিনিটে এই যাত্রা শেষ হয়

কুয়াকাটাসমুদ্র সৈকত নিয়ে আলোচনা


কুয়াকাটা বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অবস্থিত।এটি একটি অনন্য পর্যটনকেন্দ্র।একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত স্পষ্টভাবে দেখা যায় এটি ১৮ কিলোমিটার জুড়ে অবস্থিত। কুয়াকাটা সাগর কন্যা নামে পরিচিত ।কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকত ছাড়াও এখানে রয়েছে প্রাচীন কুয়া বৌদ্ধমন্দির লাল কাঁকড়া চড় ধাউবন শুটকি পল্লী ।


গঙ্গামতির চড় থেকে সূর্যোদয় এবং মূল সমুদ্র সৈকত থেকে সূর্যাস্ত দেখা সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়।কুয়াকাটা বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেষে অবস্থিত ।এখানে নারিকেল বাগান ও ম্যানগ্রোভ বনের মনোরম দৃশ্য লক্ষ্য করা যায় ।একে দ্বিতীয় সুন্দরবন বলা হয়। যা একটি সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল এখানে আদিবাসীদের অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায় ।রাখাইন সংস্কৃতি এবং প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির রয়েছে ।


ঢাকা থেকে কুয়াকাটা বাসে যাওয়া যায় ঢাকা থেকে কুয়াকাটা যেতে সময় লাগবে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা ঢাকার সায়েদাবাদ আব্দুল্লাহপুর আরামবাগ ও গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে শ্যামলী ইউরোপস হানিফ টিয়ার ট্রাভেলস সহ আরো অনেক পরিবহনের বাস সরাসরি কুয়াকাটায় যায় ঢাকা থেকে কুয়াকাটা বাসের ভাড়া 750 থেকে 900 টাকা তবে বর্তমানে পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় আগের মত লঞ্চে মানুষ কুয়াকাটা যাতায়াত করে না তাই লঞ্চে যেতে চাইলে আপনার আগে খোঁজ নিতে হবে আপনার ভ্রমণের দিন কোন ভালো লঞ্চ চলবে কিনা সদরঘাট থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় পটুয়াখালী যাবার লঞ্চ ছেড়ে যায়


সকাল সাতটায় পটুয়াখালী পৌঁছায় লঞ্চ ভাড়া নেক্সট ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা সিঙ্গেল কেবিন ১৩০০ টাকা ভিআইপি কেবিন ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা সদরঘাট থেকে সন্ধ্যার পর বরিশালের উদ্দেশ্যে একাধিক লঞ্চ ছেড়ে ভরে বরিশালে পৌঁছায় বরিশাল লঞ্চখান থেকে রুপাতলী বাস স্ট্যান্ডের যে কুয়াকাটা যাওয়ার বাস পাওয়া যায় তিন ঘন্টার মত সময় লাগবে যেতে


বাস ভাড়া ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা কুয়াকাটা আপনার বাজেট অনুযায়ী হোটেল পেয়ে যাবেন আপনি যদি মোটামুটি বাজেটের মধ্যে হোটেলে থাকতে চান তাহলে আনুমানিক খরচ হবে দুই হাতে থেকে তিন হাজার টাকা বাজেটে থাকার জন্য আপনি ১ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে রুম পেয়ে যাবেন আপনার যদি বাজেটে সমস্যা না হয় তাহলে আপনি অভিযাত্রা থাকতে পারবেন তবে আগে থেকে বুকিং করা সবচেয়ে ভালো


কাপ্তাই লেকের মানবসৃস্ট মিঠা পানির হৃদ


কাপ্তাই লেক রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম মিঠা পানির হৃদ এটি মানুষ সৃষ্টি করেছেন ১৯৫৬ সালে কর্ণফুলী নদীর উপর বাঁধ নির্মাণের ফলে এর অথৈ মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তৈরি হয়েছিল বর্তমানে এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত কর্ণফুলী নদীর উপরে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে এটি সৃষ্টি হয় এটি একটি কৃত্রিম জলধার কাপ্তাই লেকে নৌকা ভ্রমণ প্রধান আকর্ষণ এছাড়াও ঝুলন্ত ব্রিজ আরও আকর্ষণীয় এবং মনমুগ্ধকর


এখানে ইঞ্জিন চালিত নৌকা স্পিড বোট ভ্রমণের সুব্যবস্থা রয়েছে কায়াকিং এবং মাছ ধরা যায় রাঙ্গামাটি শহরে শহর থেকে ট্রলারে করে লেকে সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় না রাজার বাড়ি পার্ক লেক এর অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে পরিচিত বর্ষাকাল এবং শীতকাল কাপ্তাই লেক ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে সেরা সময় শীতকালে এখানকার পরিবেশ শান্ত থাকেও আরামদায়কশান্ত পরিবেশে রাত্রি যাপনের জন্য বিভিন্ন ধরনের রিসোর্ট রয়েছে

ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটিতে সরাসরি বাসে যাওয়া যায় ঢাকার সায়দাবাদ কলাবাগান বা ফকিরাপুল থেকে সরাসরি রাঙ্গামাটির বাস পাওয়া যায় যেমন সৌভাগ্য শ্যামলী হানিফ ঈগল ইত্যাদিনন এসি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা এসি বাস ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকার আশেপাশে তবে ভাড়া যে কোন সময় পরিবর্তন হতে পারে রাত দশটা থেকে এগারোটার বাসে উঠলে সকাল ছয়টা থেকে সাতটার মধ্যে রাঙ্গামাটি পৌঁছানো যায় রাঙ্গামাটি শহরের নেমে আপনাকে রিজার্ভ বাজার তবলছড়ি বা পর্যটন ঘাটে যেতে হবে সেখান থেকে ইঞ্জিন চালিত স্পিডবোট ভাড়া করে লেখের ভেতরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন সারাদিনের জন্য সাধারণ দুই হাজার থেকে 2400 টাকার মধ্যে খরচ হতে পারে

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত


বাংলাদেশের সুন্দর ও জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত এর মধ্যে একটি এটি চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য খুবই মনোরম বিকাল ও সন্ধ্যায় এখানে পর্যটকদের ভিড় বেশি হয়। এই সময়টুকু দর্শকদের অত্যন্ত মুগ্ধ করে এখানে রয়েছে সারি সারি জাহাজ 


দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর তলদেশের কর্ণফুলী টানের এখানে অবস্থিত যা আধুনিকতার ছোঁয়া এনেছে পরিবার কিংবা বন্ধু বান্ধবের সাথে অবসর কাটানোর জন্য পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ তাই এখানকার পরিবেশ আপনার ভ্রমন কে করবে আরো বেশি আনন্দদায়ক এবং মনমুগ্ধকর

পতেঙ্গায় স্পিডবোটে সমুদ্রে ঘুরে বেড়ানোর সুব্যবস্থা আছে এবং পাশাপাশি বাইরের সুযোগ আছে কেনাকাটার জন্য আধুনিক মার্কেটে আছে খুব কাছে রয়েছে সাহা আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রজাপতি পার্ক ইত্যাদি তবে বর্তমানে কর্ণফুলী টানের প্রতিষ্ঠিতহাওয়ায় নদীর ওপারের আনোয়ারা সৈকত ও পারকি বিচে যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে

ঢাকা থেকে সড়ক রেল এবং আকাশ পথে চট্টগ্রামে যাওয়া যায় ঢাকার বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীন লাইন হানি এন্টারপ্রাইজ শ্যামলী সোহাগ এস আলম মডার লাইন ইত্যাদি বিভিন্ন পরিবহনের এসি নন এসি বাসে চট্টগ্রামে যাওয়া যায় ঢাকা থেকে বিভিন্ন ট্রেন যেমন সুবর্ণ এক্সপ্রেস সোনার বাংলা তূর্ণা নিশিতা মহানগর প্রভাতী চট্টগ্রাম মেইলে যেতে পারেন ট্রেনে ৪০৫ টাকা ভাড়া হতে পারে ট্রেনে চট্টগ্রামে যাওয়া যায়


চট্টগ্রামের জিরো পয়েন্ট থেকে পতেঙ্গা ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত।চট্টগ্রাম শহর থেকে সিএনজি লোকাল বাস বা নিজস্ব গাড়িতে পতেঙ্গা যেতে পারেন ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মতো লাগতে পারে ঢাকা থেকে চাইলে একদিনে পতেঙ্গা সহ আরো কিছু জায়গায় ঘুরে আসতে পারেন সেই ক্ষেত্রে ঢাকা থেকে রাতের ট্রেনে বা বাসের রওনা হয়ে সকালে প্রোগ্রাম পৌঁছে সরাসরি পতেঙ্গার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারেন একদিনে পতেঙ্গা ভ্রমণ করতে পারবেন

জাফলং এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

জাফলং সিলেট শহর থেকে প্রায় 62 কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে উপজেলায় অবস্থিত ভারতের মেঘালয় সীমান্ত গ্যাসে অবস্থিত এটি পিয়ারী নদীর তীরে প্রাকৃতিক পাথর প্রাণীর নদী খাসিয়া পন্থী চা বাগান ও এবং পাহাড়ের অপরূপ সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত বলা হয় বর্ষাকালে জাফলং তার আসল সৌন্দর্য ফিরে পায় যখন মেঘালয়ের পাহাড় থেকে ঝরনার জল এবং স্বচ্ছ নীল পানি নেমে আসে

জাফলং পিয়ান নদী থেকে লক্ষ লক্ষ পাথর আরোহন করা হয় যা সারা দেশে নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয় ভারত সীমান্ত অবস্থিত ডালকি ব্রিজ ঐতিহাসিক ঝুলন্ত সেতু জাফলং অবস্থিত জাফলং এর আশেপাশের সবুজ চা বাগান রয়েছে এখানে পাহাড়ি আদিবাসী খাসিয়া সম্প্রদায় লক্ষ্য করা যায় তাদের জীবনযাত্রা ও তাদের পানবাগান সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়


কুয়াকাটাসমুদ্র সৈকত নিয়ে আলোচনা


কুয়াকাটা বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অবস্থিত  এটি একটি অনন্য পর্যটনকেন্দ্রএকই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত স্পষ্টভাবে দেখা যায় এটি ১৮ কিলোমিটার জুড়ে অবস্থিত কুয়াকাটা সাগর কন্যা নামে পরিচিত কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকত ছাড়া এখানে রয়েছে প্রাচীন কুয়া বৌদ্ধমন্দির লাল কাঁকড়া চড় ধাউবন শুটকি পল্লী 


গঙ্গামতির চড় থেকে সূর্যোদয় এবং মূল সমুদ্র সৈকত থেকে সূর্যাস্ত দেখা সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়।কুয়াকাটা বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেষে অবস্থিত এখানে নারিকেল বাগান ও ম্যানগ্রোভ বনের মনোরম দৃশ্য লক্ষ্য করা যায় একে দ্বিতীয় সুন্দরবন বলা হয় যা একটি সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল এখানে আদিবাসীদের অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায় রাখার সংস্কৃতি এবং প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির রয়েছে 


রাঙামাটির কাপ্তাই লেক


কাপ্তাই লেক রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম মিঠা পানির হৃদ এটি মানুষ সৃষ্টি করেছেন ১৯৫৬ সালে কর্ণফুলী নদীর উপর বাঁধ নির্মাণের ফলে এর অথৈ মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তৈরি হয়েছিল বর্তমানে এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত কর্ণফুলী নদীর উপরে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে এটি সৃষ্টি হয় এটি একটি কৃত্রিম জলধার কাপ্তাই লেকে নৌকা ভ্রমণ প্রধান আকর্ষণ এছাড়াও ঝুলন্ত ব্রিজ আরও আকর্ষণীয় এবং মনমুগ্ধকর


এখানে ইঞ্জিন চালিত নৌকা স্পিড বোট ভ্রমণের সুব্যবস্থা রয়েছে কায়াকিং এবং মাছ ধরা যায় রাঙ্গামাটি শহরে শহর থেকে ট্রলারে করে লেকে সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় না রাজার বাড়ি পার্ক লেক এর অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে পরিচিত বর্ষাকাল এবং শীতকাল কাপ্তাই লেক ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে সেরা সময় শীতকালে এখানকার পরিবেশ শান্ত থাকেও আরামদায়কশান্ত পরিবেশে রাত্রি যাপনের জন্য বিভিন্ন ধরনের রিসোর্ট রয়েছে।


পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত


পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের সুন্দর ও জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত এর মধ্যে একটি এটি চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য খুবই মনোরম বিকাল ও সন্ধ্যায় এখানে পর্যটকদের ভিড় বেশি হয়। কারণ এই সময়টুকু দর্শকদের অত্যন্ত মুগ্ধ করে 



এখানে রয়েছে সারি সারি জাহাজ এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর তলদেশের কর্ণফুলী টানের এখানে অবস্থিত যা আধুনিকতার ছোঁয়া এনেছে পরিবার কিংবা বন্ধু বান্ধবের সাথে অবসর কাটানোর জন্য পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ তাই এখানকার পরিবেশ আপনার ভ্রমন কে করবে আরো বেশি আনন্দদায়ক এবং মনমুগ্ধকর 


পতেঙ্গায় স্পিডবোটে সমুদ্রে ঘুরে বেড়ানোর সুব্যবস্থা আছে এবং পাশাপাশি বাইরের সুযোগ আছে কেনাকাটার জন্য আধুনিক মার্কেটে আছে খুব কাছে রয়েছে সাহা আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রজাপতি পার্ক ইত্যাদি তবে বর্তমানে কর্ণফুলী টানের প্রতিষ্ঠিতহাওয়ায় নদীর ওপারের আনোয়ারা সৈকত ও পারকি বিচে যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে


ঢাকা থেকে সড়ক রেল এবং আকাশ পথে চট্টগ্রামে যাওয়া যায় ঢাকার বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীন লাইন হানি এন্টারপ্রাইজ শ্যামলী সোহাগ এস আলম মডার লাইন ইত্যাদি বিভিন্ন পরিবহনের এসি নন এসি বাসে চট্টগ্রামে যাওয়া যায় ঢাকা থেকে বিভিন্ন ট্রেন যেমন সুবর্ণ এক্সপ্রেস সোনার বাংলা তূর্ণা নিশিতা মহানগর প্রভাতী চট্টগ্রাম মেইলে যেতে পারেন ট্রেনে ৪০৫ টাকা ভাড়া হতে পারে ট্রেনে চট্টগ্রামে যাওয়া যায়


চট্টগ্রামের জিরো পয়েন্ট থেকে পতেঙ্গা ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত চট্টগ্রাম শহর থেকে সিএনজি লোকাল বাস বা নিজস্ব গাড়িতে পতেঙ্গা যেতে পারেন ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মতো লাগতে পারে ঢাকা থেকে চাইলে একদিনে পতেঙ্গা সহ আরো কিছু জায়গায় ঘুরে আসতে পারেন সেই ক্ষেত্রে ঢাকা থেকে রাতের ট্রেনে বা বাসের রওনা হয়ে সকালে প্রোগ্রাম পৌঁছে সরাসরি পতেঙ্গার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারেন একদিনে পতেঙ্গা ভ্রমণ করতে পারবেন









































































































এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সলুশনস আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url