বাংলাদেশের ড্রপশিপিং বিজনেস শুরু করার সম্পূর্ণ গাইড
ঘরে বসে ড্রপ শিপিং বিজনেস শুরু করা যায়।যেকোনো বয়সের মানুষ যে কোন জায়গা থেকে ড্রপ শিপিং বিজনেস শুরু করতে পারেন।
শুধু মার্কেটিং ফোকাস করে এই বিজনেস বৃদ্ধি করা যায়।এটার জন্য নির্দিষ্ট কোন অফিসের প্রয়োজন নাই।আপনি ঘরে বসেই এটা শুরু করতে পারবেন।
পেজ সূচিপত্র
- ড্রপশিপিং বিজনেস যেভাবে শুরু করবেন
- ক্যারিয়ার হিসেবে ড্রপ শিপিং বিজনেস
- ড্রপ শিপিং বিজনেস এর মাধ্যমে প্রোডাক্ট বিক্রি
- আপনি যেভাবে সেলস জেনারেট করবেন
- প্রোডাক্ট বিক্রির দক্ষতা বাড়ানোর উপায়
- আপনার বিজনেস বৃদ্ধি করার উপায়
- প্রোডাক্ট বিক্রির ক্ষেত্রে গ্রাহকের সাথে সম্পর্ক
- প্রোডাক্ট বিক্রি পরবর্তী সেবা যেভাবে দেওয়া উচিত
- প্রোডাক্ট সম্পর্কে বিশেষ সুবিধা ও ডিসকাউন্ট
- সোশ্যাল মিডিয়া ও রিভিউ সম্পর্কে আলোচনা
শুধু মার্কেটিং ফোকাস করে এই বিজনেস বৃদ্ধি করা যায়।এটার জন্য নির্দিষ্ট কোন অফিসের প্রয়োজন নাই।আপনি ঘরে বসেই এটা শুরু করতে পারবেন।
ড্রপশিপিং বিজনেস যেভাবে শুরু করবেন
ফেসবুক পেজে কাস্টমার থেকে অর্ডার নিয়ে প্রোডাক্ট ডেলিভারি দেওয়া যায়।অল্প মূলধন দিয়ে ড্রপ শিপিং বিজনেস শুরু করতে পারবেন।এজন্য আপনাকে বিশাল পরিমাণ বিশাল অংকের মূলধন ইনভেস্ট করতে হবে না।ড্রপ শিপিং বিজনেসে ঝুঁকি নেই বললেই চলে।লেখাপড়ার বা পার্টটাইম চাকরির পাশাপাশি আপনার ড্রপ শিপিং বিজনেসটা চালু করে লাভবান হতে পারেন।
আপনি ড্রপশিপিং বিজনেস ঘরে বসে করতে পারবেন।এজন্য আপনাকে কোন গোডাউন ভাড়া দিতে হবে না।এই বিজনেসও তেমন কোন ঝামেলা নেই।বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট এক জায়গা থেকে বিক্রি করা যায় ডেলিভারি নিয়ে আপনার তেমন কোন চিন্তা করার দরকার নেই।কারণ ডেলিভারি ম্যান কাস্টমারের বাসায় গিয়ে কাস্টমারের হাতে প্রোডাক্ট পৌঁছে দেবে।
ক্যারিয়ার হিসেবে ড্রপ শিপিং বিজনেস
পার্ট টাইম বা ফুল টাইম ক্যারিয়ার হিসেবে ড্রপ শিপিং বিজনেস শুরু করতে পারেন।পৃথিবীতে বিভিন্ন নামের ড্রকশিপিং কোম্পানি আছে।বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ড্রপ শিপিং কোম্পানি হল সেলফ শপ।সেলফ শপে ড্রপ শিপের একাউন্ট খুলে ড্রপ শিপিং বিজনেস শুরু করা যায়।মাত্র ৯৯৯ টাকা খরচ করে সেলফ শপে ড্রপশিপার একাউন্ট চালু করতে পারেন।
আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে সেলফ শপ অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারেন।এর মাধ্যমে ড্রপ শিপারদের ব্যবসায়িক গোপনীয়তা রক্ষা করা যায়।সেলফ শপে ৯৯৯ টাকা খরচ করে সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে প্যাকেজ নিলে আপনার লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।অ্যাকাউন্ট চালু হওয়ার পরে আপনি হোলসেল প্রাইস দেখতে পারবেন।সাধারণ কাস্টমার হোলসেল প্রাইস দেখতে পারবে না।
ড্রপ শিপিং বিজনেস এর মাধ্যমে প্রোডাক্ট বিক্রি
প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে আলোচনা থেকে প্রোডাক্ট এর ছবি ও ডিটেলস ডাউনলোড করা যায়।ড্রপশিপার রেটের সাথে চাহিদা অনুযায়ী আপনি যোগ করে আপনার ফেসবুক পেজে পোস্ট করতে পারবেন।আপনার প্রজেক্ট এর অর্ডার কনফার্ম হওয়ার পরে আপনি ড্রপ সিপার প্ল্যাটফর্মে ক্লায়েন্টের ডিটেলস এন্ট্রি করতে পারবেন।তারপরে অর্ডার করতে পারবেন।এভাবে আপনি সহজে প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন।
আরও পড়ুনঃড্রপ শিপিং বিজনেসের মাধ্যমে প্রোডাক্ট বিক্রি
আপনার শপ এর পক্ষ থেকে ক্লাইন্ট এর কাছে প্রোডাক্ট ডেলিভারি হবে।ডেলিভারি ম্যান আপনার কাস্টমারের বাসায় যেয়ে প্রোডাক্ট দিয়ে আসবে।আপনার প্রফিট এর টাকা আপনি আপনার একাউন্টে পেয়ে যাবেন।এতে আপনি প্রোডাক্ট বিক্রি করে এবং আপনার কাস্টমার আপনার প্রজেক্ট হাতে পেয়ে খুশি থাকবে।কোন ঝামেলা ছাড়াই এভাবে ড্রপ শিপিং বিজনেসে প্রোডাক্ট বিক্রি করে আপনি লাভবান হতে পারবেন।
আপনি যেভাবে সেলস জেনারেট করবেন
আপনি ফেসবুকের মাধ্যমে সঠিক টার্গেট করতে পারবেন।এর মাধ্যমে পোস্ট করতে পারবেন ভিডিও বানিয়ে ভাইরাল হয়ে আপনি জেনারেট করতে পারবেন।অর্গানিক রিচ এর মাধ্যমে ফেসবুক গ্রুপ বিভিন্ন পার্সোনাল প্রোফাইল থেকে এবং আপনার প্রোফাইল বা পেজের কনটেন্ট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি ফ্রি সেলস আনতে পারবেন।এভাবে আপনি সেলফ জেনারেট করতে পারবেন।কাস্টমারের বিশ্বাস অর্জন করতে কন্টেন্ট রিয়াল হতে হবে।
প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য আপনাকে কভার ফটো এবং প্রোফাইল ফটো এর ফটো রিয়েল ইমেজ হতে হবে।যে কনটেন্ট এর ওপর মার্কেটিং করবেন সেই কন্টেন্ট কে কেন্দ্র করে ইমেজ হতে হবে।আপনি এর জন্য ক্যানভা থেকে ইমেজ তৈরি করে নিতে পারেন।আপনার ফেসবুক পেজ বা ফেসবুক প্রোফাইল এর আইডি যত বেশি পরিপাটি থাকবে আপনার ফেসবুক পেজ বা ফেসবুক প্রোফাইল এর প্রতি মানুষের বিশ্বাস তত বাড়বে।এভাবে ধীরে ধীরে বৃষ্টির দক্ষতা বাড়ানো যায়।
প্রোডাক্ট বিক্রির দক্ষতা বাড়ানোর উপায়
আপনি বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন যেমন আলু,পিয়াজ,রসুন মাছ ইত্যাদি।অনেকেই পোশাক বিক্রি করে অনলাইনে বেশ লাভবান হচ্ছে।আপনি যে আইটেমের প্রোডাক্ট বিক্রি করতে চান সেই প্রোডাক্ট যে ধরনের কাস্টমার কিনতে চাইবে সেই ধরনের কাস্টমারকে টার্গেট করে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রির কথা চিন্তা করতে হবে।যার একটা মোটরসাইকেল দরকার তার কাছে মোটরসাইকেলের বিজ্ঞাপন গেলে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রির সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।তাই সঠিক অডিয়েন্স টার্গেট করা গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি ফেসবুক প্রোফাইলে প্রথমে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য একটা পোস্ট করতে পারেন।এতে করে আপনার বন্ধু বান্ধবী আপনার পরিচিত সকলে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে পারবে।প্রথমে আপনার বন্ধুবান্ধব আত্মীয়-স্বজনকে আপনার প্রোডাক্ট দিতে পারবেন।এভাবে আপনার কাছে আপনার প্রোজেক্ট গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে।প্রফিট অর্জন করবেন সেই প্রফিট আপনি আবার নতুন প্রোডাক্ট ক্রয়ের ক্ষেত্রে ইনভেস্টমেন্ট করতে পারবেন।
আপনার বিজনেস বৃদ্ধি করার উপায়
অনলাইনে বিজনেস বৃদ্ধি করতে হলে প্রথমে একটি ব্র্যান্ড নেম এবং এটি সুন্দর লোগো তৈরি করে নিতে হবে।আপনি ক্যানভা থেকে ব্র্যান্ড নেম বা লোগো তৈরি করতে পারেন।আপনার পেজে হাই কোয়ালিটি প্রোফাইল ফটো এবং কভার ফটো থাকতে হবে।আপনার পেজকে আপনার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মনে করতে হবে।তাই আপনার ফেসবুক পেজকে আপনার প্রফেশনাল ভাবে গড়ে তুলতে হবে।
আপনার ইনবক্সে যে সব মেসেজ আসবে সে সব মেসেজের ইনস্ট্যান্ট রিপ্লাই দিতে হবে।যেসব কাস্টমার আপনাকে মেসেজ করবে তাদের সাথে বিনয়ী আচরণ করতে হবে।আপনার অর্ডার করার পর নিয়মিত আপডেট দিতে হবে।ফেসবুক পেজ বা প্রোফাইলেপ্রতিদিন অন্ততপক্ষে ১-২ টা পোস্ট করা ভালো।আপনার প্রোডাক্ট বেশি বিক্রি করতে চাইলে আপনি শর্ট ভিডিও বা রিলস আপলোড করতে পারেন।
প্রোডাক্ট বিক্রির ক্ষেত্রে গ্রাহকের সাথে সম্পর্ক
গ্রাহকের সাথে একটি সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।গ্রাহক যদি আপনার পেজের কোন প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে চায় আপনি সাথে সাথে উত্তর দিয়ে প্রোডাক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে দিবেন।ফেসবুকে ভালো পারফরম্যান্স থাকলে ফেসবুক আপনার পেজকে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে।আপনি প্রোডাক্ট এর দাম,প্রোডাক্ট এর মান সম্পর্কে স্পষ্ট করে গ্রাহকের কাছে আপনার বলে দিতে হবে।ডেলিভারি চার্জ সম্পর্কেও সুস্পষ্ট বলতে হবে।
গ্রাহকের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলতে হবে।তাদের প্রয়োজন বুঝতে হবে এবং প্রয়োজন বোঝার পরে আপনি সঠিক পণ্য সম্পর্কে তাদের পরামর্শ দিতে পারবেন।এতে করে গ্রাহকের সাথে আপনার সম্পর্ক আরো ভাল হবে।গ্রাহকের উত্তর শোনার পরে আপনি তাকে ধন্যবাদ দি বলুন ইত্যাদি বিনয়ী আচরণ করবেন।তারা যদি কোন প্রশ্ন করে আপনি বিরক্ত ভাব দেখাবেন না।প্রোডাক্ট সম্পর্কে কোন মিথ্যা কথা বলবেন না।
বিজনেস এর ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা
প্রোডাক্ট এর ছবি,বিবরণ যেমন সাইজ কাপড়ের মান রঙ ইত্যাদি যেরকম সরাসরি দেখায় সেরকম ছবি তুলে অনলাইনে পোস্ট করবেন।অতিরঞ্জিত দেখা গেলে পরে প্রোজেক্ট হাতে পেয়ে গ্রাহকের কাছে অন্যরকম মনে হলে গ্রাহক প্রোডাক্টের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলবে।গ্রাহক প্রোডাক্ট ঠিকমতো পেয়েছে কিনা দিয়ে জানতে চাইবেন।আপনার পণ্য কেমন হয়েছে সেটাও জানতে চাইবেন।ডেলিভারির সময় মত হচ্ছে কিনা তা সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে।
আরও পড়ুনঃবিজনেসের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখার উপায়
ডেলিভারি চার্জ আগে নিবেন নাকি ক্যাশ অন ডেলিভারি দিবেন সে সম্পর্কে প্রোডাক্ট বিক্রির আগে এই গ্রাহককে সুস্পষ্ট ভাবে বলে দিতে হবে।স্টক শেষ হয়ে গেলে তা গ্রাহককে জানিয়ে দিতে হবে।নতুন স্টক কবে আসবে তা আমরা ওকে স্বচ্ছ ভাবে বলতে হবে।পণ্য নিয়ে কোন অভিযোগ থাকলে তা শান্তভাবে শুনুন এবং দুঃখ প্রকাশ করে দ্রুত সমাধান দিন।বিজনেসের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।
প্রোডাক্ট বিক্রি পরবর্তী সেবা যেভাবে দেওয়া উচিত
প্রোডাক্ট বিক্রি হওয়ার পরে পণ্যে ঠিক কোন সমস্যা আছে কিনা বা প্রোডাক্টের মান কেমন হয়েছে তা জানতে আপনি ফলোআপ রাখতে পারেন।এজন্য আপনি গ্রাহককে মেসেজ দিবেন।কোন কারনে পন্য পরিবর্তন করার যদি প্রয়োজন হয় সেই প্রক্রিয়া রাখবেন।এই প্রক্রিয়াটি সরল এবং সুন্দর করতে হবে। গ্রাহক পণ্য হাতে পাওয়ার পরে গ্রাহক সন্তুষ্ট হয়েছে কিনা এবং সেটা তার ব্যবহার উপযোগী ঠিকমতো হয়েছে কিনা তা সম্পর্কে জানতে হবে।
গ্রাহক পণ্য ঠিকমত হাতে পেয়েছে কিনা এবং তার ব্যবহার উপযোগী হয়েছে এটা জানার পরে আপনি তাকে ধন্যবাদ দিবেন।আপনার পেজে পেজের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ এমন কথা তাকে বলবেন। প্রোডাক্ট বিক্রির পরে আপনি যে প্রফিট পেয়েছেন সেটা আপনার একাউন্টে ঠিকমতো এসেছে কিনা সে সম্পর্কে নিশ্চিত হন।যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে কুরিয়ার সার্ভিসের সাথে যোগাযোগ করুন।এভাবে প্রডাক্ট বিক্রি পরবর্তী সেবা দিতে পারেন।
প্রোডাক্ট সম্পর্কে বিশেষ সুবিধা ও ডিসকাউন্ট
আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে মাঝে মাঝে বিশেষ সুবিধা ও ডিসকাউন্ট দিতে হবে।বিশেষ দিনে এসব ডিসকাউন্ট দিতে হবে।তাহলে গ্রাহকের প্রোডাক্ট কেনার প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাবে।ঈদ পূজা বা বিশেষ দিনে তাদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মেসেজ পাঠান এর ব্যবস্থা রাখা ভালো।একটা কিনলে দুইটা ফ্রি এরকম বিজ্ঞাপন দিয়ে পোস্ট করলে আপনার প্রোডাক্টের প্রতি গ্রাহকের আকর্ষণ বাড়বে।
ঈদ পূজা বা বিশেষ দিন ছাড়াও মাঝে মাঝে আপনি ডিসকাউন্টের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। এতে করে গ্রাহকের আপনার প্রোজেক্ট কেনার প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাবে।সে শুধু নিজেই পণ্য কিনবেনা ডিসকাউন্ট এর ব্যাপারে পরিচিতজনদের বলবে।এতে আপনার পেজ বা ওয়েবসাইট থেকে কেনার পরামর্শ দেবে। এতে আপনার পেজ বা প্রোফাইল বা ওয়েবসাইটে প্রোডাক্ট বিক্রি বেড়ে যাবে।
সোশ্যাল মিডিয়া ও রিভিউ সম্পর্কে আলোচনা
আপনি ফেসবুক গ্রুপে নিয়মিত লাইভ করতে পারেন।এছাড়াও আপনি লাইভের পাশাপাশি ছোট ছোট ভিডিও বা রিলস আপলোড করতে পারেন।এতে করে আপনার সাথে গ্রাহকের বিশ্বাস মজবুত হবে।আপনার পণ্যের রিভিউ গ্রাহকদের আপনার পেইজে দিতে বলবেন।অন্যরা ইতিবাচক রিভিউ দেখে আপনার প্রোডাক্ট কিনতে উৎসাহিত হবে।
আরও পড়ুনঃড্রপ শিপিং বিজনেসের ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া ও রিভিউ গুরুত্বপূর্ণ
আপনার ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে গ্রাহকরা রিভিউ দিলে তাদের সাথে আপনার বিশ্বাসের সম্পর্ক আরো মজবুত হবে।এতে শুধু তারাই পণ্য কিনবে না তার আত্মীয় স্বজন বন্ধু-বান্ধব পরিচিতদের বলবে।গ্রাহক তার আত্মীয়স্বজন বন্ধু-বান্ধব পরিচিতদের আপনার পেজ বা ওয়েবসাইট থেকে কেনার পরামর্শ দেবেন।এতে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি বেশি হবে।এভাবে অনেক মানুষের কাছে প্রোডাক্ট বিক্রি করে আপনি অধিক লাভবান হতে পারবেন।
পরিশেষেঃ
লোকাল ড্রপ শিপিং এর মাধ্যমে পাইকারদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কাজ করা যায়।পণ্য নির্বাচন করে আপনি ইচ্ছে করলে পণ্য নির্বাচন করতে পারবেন।বিদেশি সাপ্লায়ারদের পণ্য ব্যবহার করতে পারবেন।এতে করে আপনি সরাসরি আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন।নিজের ব্র্যান্ডের নামে আপনি ফেসবুক পেজ বা ই কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন।সঠিক অডিয়েন্স টার্গেট করে বিজনেস করতে পারলে ফেসবুক ওয়েবসাইট থেকে লাভবান হতে পারবেন।
সোশ্যাল মিডিয়াম মার্কেটিং করে ও সঠিক কনটেন্ট তৈরি পণ্যের প্রচার ও প্রসার করতে পারবেন।ভেজাল পণ্য বিক্রি করা যাবে না।পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখতে হবে এবং ডেলিভারি নিশ্চিত করতে হবে।খুব অল্প পুঁজিতে ভাবে ব্যবসা শুরু করা যায় বলে এটি সবার জন্য নিরাপদ।ডেলিভারি নিশ্চিত করার জন্য সব সময় বিশ্বস্ত সাপ্লায়ার বেছে নিতে হবে।বর্তমান যুগে বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং বিজনেস শুরু করা একটি লাভজনক ব্যবসা।

সলুশনস আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url